সাধু বেনেডিক্ট মঠের ওয়েব-সাইট - মহেশ্বরপাশা - খুলনা - বাংলাদেশ
খ্রিষ্টমণ্ডলীর পুণ্য পিতৃগণের কোন্ পুস্তক এমন বাণী না প্রতিধ্বনিত করে
আমরা যেন সত্যকার পথ ধরে আমাদের সৃষ্টিকর্তার কাছে পোঁছি?

(সাধু বেনেডিক্টের নিয়ম)

বিনামূল্যে পুস্তকগুলো সবুজ পার্শ্বরেখা দ্বারা চিহ্নিত।

প্রৈরিতিক পিতৃগণ
ভূমিকা ও টীকা সহ মূল ভাষাগুলো থেকে বাংলায় অনূদিত প্রৈরিতিক পিতৃগণের লেখা।
দিদাখে, ক্লেমেণ্ট়, ইগ্নাসিউস, পলিকার্প, বার্নাবাস, পালক ও দিওগ্নেতোস ছাড়া এই পুস্তকে সেকালীন ‘পাপিয়াস’ ও ‘কুয়াদ্রাতুস’ এর প্রাচীন লেখার অংশবিশেষ, ও মুরাতরি পাণ্ডুলিপি-খণ্ডও যোগ দেওয়া আছে।

প্রৈরিতিক পিতৃগণ হলেন সেই ঐশতত্ত্ববিদ যারা তাদের জীবনকালে যিশুর প্রেরিতদূতদের সঙ্গে ব্যক্তিময় সম্পর্কের অধিকারী হয়েছিলেন। তাদের ধর্মশিক্ষার গুরুত্ব ও নির্ভরযোগ্যতা এতেই রয়েছে যে, তাদের শিক্ষা প্রেরিতদূতদের নিজেদের শিক্ষার সঙ্গে ধারাবাহিকভাবেই সংযুক্ত। এ লেখাগুলোর মধ্য দিয়ে প্রথম শতাব্দীর খ্রিষ্টমণ্ডলীর পরিস্থিতি ও সমস্যাদির প্রাঞ্জল ছবি ভেসে ওঠে।
প্রকৃত পুস্তক NSCTC থেকে পাওয়া যেতে পারে।


খ্রিষ্টমণ্ডলীর পিতৃগণের সঙ্গে সুসমাচার-ধ্যান
বাংলায় অনূদিত রবিবারের ও পর্ব-মহাপর্বের সুসমাচার বিষয়ক খ্রিষ্টমণ্ডলীর পিতৃগণের উপদেশ।

খ্রিষ্টমণ্ডলীর পিতৃগণ বলতে সেই ঐশতত্ত্ববিদগণ বোঝায় যারা ২য় শতাব্দী থেকে সপ্তম শতাব্দী পর্যন্ত খ্রিষ্টবিশ্বাসের বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করেছিলেন। যেমন আথানাসিউস, মহাপ্রাণ বাসিল, নাজিয়াঞ্জুসের বিশপ গ্রেগরি, যোহন খ্রিসোস্তম, আম্ব্রোজ, আগস্তিন, মহাপ্রাণ গ্রেগরি ইত্যাদি ব্যক্তিত্ব। খ্রিষ্টবিশ্বাস ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষা নির্ভুল বলে সর্বস্বীকৃত।
এই পুস্তকে তাদের এমন লেখা সঙ্কলিত হয়েছে যেগুলো সুসমাচার ধ্যানের জন্য আজকালের খ্রিষ্টবিশ্বাসীদের জন্যও ফলপ্রসূ হতে পারে।
প্রকৃত পুস্তক NSCTC থেকে পাওয়া যেতে পারে।


রহস্যগুলি প্রসঙ্গ
ভূমিকা ও টীকা সহ লাতিন থেকে বাংলায় অনূদিত সাধু আম্ব্রোজ-লিখিত ‘রহস্যগুলি প্রসঙ্গ’।

এটি সকলের স্বীকৃত কথা যে, খ্রিষ্টীয় দীক্ষার বিষয়ে সাধু আম্ব্রোজের এই লেখা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই পুস্তকে মিলানের প্রখ্যাত বিশপ আম্ব্রোজ নবদীক্ষিতদের কাছে বাপ্তিস্ম, দৃঢ়ীকরণ ও প্রভুর ভোজের গভীর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। পুস্তকটি সম্ভবত ৩৮৭ সালে লেখা হয়েছিল।


প্রভুর প্রার্থনা
ভূমিকা ও টীকা সহ লাতিন থেকে বাংলায় অনূদিত সাধু সিপ্রিয়ান-লিখিত ‘প্রভুর প্রার্থনা’।

সাধু সিপ্রিয়ান-লিখিত এই পুস্তক ২৫১ সালে লেখা হয়েছিল; সেসময় থেকে আজ পযর্ন্ত পুস্তকটি সকলের জনপ্রিয়তা লাভ করে আসছে। প্রভুর প্রার্থনা ব্যাখ্যা করা ছাড়া উত্তর আফ্রিকার কার্থাজের বিশপ সাধু সিপ্রিয়ান তাঁর নিজস্ব কয়েকটি ধারণার উপর জোর দেন যে ধারণাগুলো বিশপ হিসেবে তাঁর মতে মণ্ডলী-গঠনে প্রাধান্য পাবার কথা, যথা খ্রিষ্টমণ্ডলীর একতা ও ভক্তবৃন্দের মধ্যে সুসম্পর্ক।


মুরাতরি পাণ্ডুলিপি-খণ্ড
ভূমিকা ও টীকা সহ লাতিন মূল ভাষায় ও তার বাংলা অনুবাদে মুরাতরি পাণ্ডুলিপি-খণ্ড।

মুরাতরি পাণ্ডুলিপি-খণ্ড বলে পরিচিত লেখাটি হল নূতন নিয়মের পুস্তকগুলোর সবচেয়ে প্রাচীন তালিকা যা লুদভিকো আন্তনিও মুরাতরি আবিষ্কার করেছিলেন ও ১৭৪০ সালে প্রকাশ করেছিলেন।


সাধু বেনেডিক্টের নিয়ম
ভূমিকা ও টীকা সহ লাতিন থেকে বাংলায় অনূদিত সাধু বেনেডিক্টের নিয়ম।

সাধু বেনেডিক্টের নিয়ম হল ৬ষ্ঠ শতাব্দীর সেই বিখ্যাত লেখা যা খ্রিষ্টান পাশ্চাত্য জগতের আধ্যাত্মিকতা শুধু নয়, তার সংস্কৃতিকেও প্রভাবান্বিত করেছে।
প্রকৃত পুস্তক NSCTC থেকে পাওয়া যেতে পারে।


সাধু বেনেডিক্টের জীবনী
ভূমিকা ও টীকা সহ লাতিন থেকে বাংলায় অনূদিত মহাপ্রাণ গ্রেগরি-লিখিত ‘সাধু বেনেডিক্টের জীবনী’।

সাধু বেনেডিক্ট (৪৮০-৫৪৭) লাতিন মণ্ডলীর আদি সন্ন্যাসীদের মধ্যে সর্বপ্রধান ব্যক্তিত্ব বলে আখ্যায়িত।
পোপ মহাপ্রাণ গ্রেগরি ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে তাঁর যে জীবনী লেখেন, তা সেসময় থেকেই খ্রিষ্টীয় আধ্যাত্মিকতার শ্রেষ্ঠ লেখাগুলোর মধ্যে অন্যতম বলে স্বীকৃত।
প্রকৃত পুস্তক NSCTC থেকে পাওয়া যেতে পারে।